Description

(বইয়ের ফ্ল্যাপ)-

‘কিরে খাবি না? জলদি আয়’

আমি ঘাড় ফিরিয়ে দেখি আপু। দরজায় ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। চোখে মুখে খুশির চটা ও আলোর রোশনাই। বোনের এই হাসিখুশি মুখটাই একটা ট্রেডমার্ক। যেটা বরাবরি আমরা দেখে আসছি।

‘খাব না মানে। পেটে রাক্ষুসে খিদে। তুই এক্ষুণি আমাকে কিছু খেতে দে। বাবা-মাকেও বোলা’

‘চট করে হাত মুখ ধুয়ে আয়। আমি খাবার বেড়ে দিচ্ছি’

দু’মিনিটের ভেতর খাবার ঘরে গিয়ে হাজির হলাম। বোন খাবারগুলো একেক করে এগিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। আমিও তৃপ্তি সহকারে খেয়ে যাচ্ছি।

‘আপু রান্নাটা আজ জবর হয়েছেরে’

‘আজ সবকিছু আমি রেঁধেছি’

‘ওম্মা! তাই!!’

‘হু’

‘বাবা-মা কইরে? ওরা খেয়েছে?’

‘খেয়েছে’

‘তুই খেয়েছিস?’

‘নাহ’

আমি চমকে উঠি। বোনের মুখের দিকে চেয়ে থাকি।

‘খেলি না!? কেনরে? বিয়ের আনন্দে?’

‘একটা চড় খাবি। তুই না খেলে আমি খাই? নাকি কোনোদিন খেয়েছি?’

(বইয়ের ফ্ল্যাপ)-

‘কিরে খাবি না? জলদি আয়’

আমি ঘাড় ফিরিয়ে দেখি আপু। দরজায় ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। চোখে মুখে খুশির চটা ও আলোর রোশনাই। বোনের এই হাসিখুশি মুখটাই একটা ট্রেডমার্ক। যেটা বরাবরি আমরা দেখে আসছি।

‘খাব না মানে। পেটে রাক্ষুসে খিদে। তুই এক্ষুণি আমাকে কিছু খেতে দে। বাবা-মাকেও বোলা’

‘চট করে হাত মুখ ধুয়ে আয়। আমি খাবার বেড়ে দিচ্ছি’

দু’মিনিটের ভেতর খাবার ঘরে গিয়ে হাজির হলাম। বোন খাবারগুলো একেক করে এগিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। আমিও তৃপ্তি সহকারে খেয়ে যাচ্ছি।

‘আপু রান্নাটা আজ জবর হয়েছেরে’

‘আজ সবকিছু আমি রেঁধেছি’

‘ওম্মা! তাই!!’

‘হু’

‘বাবা-মা কইরে? ওরা খেয়েছে?’

‘খেয়েছে’

‘তুই খেয়েছিস?’

‘নাহ’

আমি চমকে উঠি। বোনের মুখের দিকে চেয়ে থাকি।

‘খেলি না!? কেনরে? বিয়ের আনন্দে?’

‘একটা চড় খাবি। তুই না খেলে আমি খাই? নাকি কোনোদিন খেয়েছি?’

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বুক পকেটের গল্প”

Your email address will not be published. Required fields are marked *